• ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Eco Park

কলকাতা

বাসস্টপে ধাক্কা, তারপর ডিভাইডারে সজোরে আঘাত—মত্ত চালকের তাণ্ডব

বেপরোয়া গতির জেরে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা ঘটল নিউটাউনে। শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে নিউটাউন-এর ইকো পার্ক-এর দুই নম্বর গেটের কাছে প্রথমে একটি গাড়ি বাসস্টপে ধাক্কা মারে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এরপর গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আরও কিছুটা এগিয়ে সিগন্যালের কাছে ডিভাইডারে সজোরে ধাক্কা মারে। তারপরই গাড়িটি সম্পূর্ণ উল্টে যায়।রাস্তায় উল্টে পড়ে থাকতে দেখা যায় গাড়িটিকে। সামনের অংশ বেশ খানিকটা দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। গাড়িতে থাকা তিনজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, গাড়িতে থাকা তিনজনের মধ্যে যিনি চালাচ্ছিলেন, তিনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান। দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই এই দুর্ঘটনা ঘটে।গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিউটাউনের ব্যস্ত রাস্তায় এ ধরনের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
রাজনীতি

ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে দিলীপ ঘোষ নানা ইস্যু নিয়ে মুখ খুললেন

২০ মে ধর্মঘটসিপিআইএম ধর্মঘট ডাকছে বা কি করছে ভারতবর্ষের লোকের এটাই কি এসে যায় তারা কোথায় আছে। তারা আছে মানুষকে এটা বোঝানোর জন্য ব্রিগেড করতে হয় মাঝেমধ্যে। তাদের অভিযোগের কোন গুরুত্ব নেই। যদি ওরা মানুষের কথা ভাবতো তাহলে মানুষ বর্জন করত না। ভাত দিতে পারেনি। মোদী সকলকে ভাত দিচ্ছে। মহম্মদ সেলিম এর বক্তব্য বদল নিয়েআমরাও বলছি বদল হবে আমরাও বদল চাইছি কিন্তু বদল হলে কি হবে বিজেপি আসবে ওরা দিবা স্বপ্ন দেখছে।শালবনীতে আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার জীবনে হাজার হাজার সালাম নাচ করেছে কিন্তু সেখানে উৎপাদন হয়েছে কত জায়গায় তার কোন রিপোর্ট দেয়নি। বেঙ্গল সামিট করেন প্রতিবছর কিন্তু সেখানে কি ফলাফল হয় তার কোন শ্বেতপত্র বার করুন। কেউ আসতে চায় না। সত্যিকারের কটা ইন্ডাস্ট্রি হয়েছে চাকরি হয়েছে সেটা দেখান। কোথায় গেল দেওচাপাচামী। নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দেন ঢপ দেন মানুষ জেনে গেছে।এসএসসি ভবন অভিযানএই অভিযান চলতে থাকবে কিন্তু কোর্টের থেকেও সমাধান হবে। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় একই কথা বলেছে। কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে তারাই সেই নির্দোষ বদল করে যোগ্যদের চাকরি দেবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন বলছে না যোগ্য লোকদের চাকরি ফেরত দেওয়ার কথা। এটা উনি কিছুতেই বলবে না কারণ আট হাজার লোক তাহলে উনার বাড়ি ঘেরাও করবে। সুকান্ত মজুমদার মুর্শিদাবাদ যাচ্ছেনতুমি এর আগে মোথাবাড়িতেও গেছেন যখন ওখানে গন্ডগোল হচ্ছিল বিরোধী দলনেতাও গেছিলেন। পার্টি পুরোপুরি বাস্তহারা নিপীড়িতদের সঙ্গে রয়েছে। গোটা বাংলায় রয়েছে।দিলীপ ঘোষ মুর্শিদাবাদ যাবেন?আমি যাব মুর্শিদাবাদ এরা যাচ্ছে। গন্ডগোলের দিন আমি ওখানেই ছিলাম। পুলিশ আমাকে রাতে আসতে দেয়নি। আমি সভা করতে যায় প্রতিবাদ করতে যাই এখন ত্রান দিতে সবাই যাচ্ছে।ব্রিগেডের মাঠ ভরলেও ব্যালট ভরে না বিমান বসু এর বক্তব্যমানুষকে কি ফুচকা খাওয়ানোর জন্য ব্রিগেডে নিয়ে আসেন। গতকাল ব্রিগেডে যে কজন লোক ছিল সেই কয়জনই সিপিআইএমের সমর্থক রয়েছে বাংলায়। প্রতিবছর দুর্গাপুজো কালীপুজোর মতো ওদের প্রতি বছর একটা ব্রিগেড হয় দেখা হয় খাওয়া দাওয়া হয়।মহম্মদ সেলিম এর বক্তব্যলাল ঠাণ্ডা দেখতে পাই আমরা তৃণমূলের লোকরা লাগিয়ে দেয়। সিপিআইএম পার্টি অফিস চালানোর পয়সা তাদের চা খাওয়ার পয়সা তৃণমূল দেয়। সিপিআইএম পার্টি অফিসের চাবি থাকে তৃণমূলের লোক এর কাছে। এইভাবে সিপিএমকে স্যালাইন দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছেন কতদিন থাকবে।

এপ্রিল ২২, ২০২৫
কলকাতা

নতুন বছরে শীতের আমেজে ভিড়ে ঠাসা ইকোপার্ক থেকে চিড়িয়াখানা, কাশীপুর উদ্যানবাটী..কোথায় কত দর্শনার্থী?

ফি বছর বছরের শেষ সপ্তাহ থেকে নয়া বছর শুরুর সপ্তাহ পর্যন্ত কলকাতার রাস্তা-ঘাট, মেট্রোতে ভিড় লেগেই থাকে। এবারও তার ব্য়তিক্রম হয়নি। ২৫ ডিসেম্বর বড় দিনে ভিড়ের সূত্রপাত হয়। তারপর বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর, আর তার পরের দিন ১ জানুয়ারি নতুন বছরের শুরুর দিন। কলকাতার দর্শনীয় স্থানে পর্যটকেরা ভিড় করে থাকে। তবে ইকো পার্ক ও চিড়িয়াখানা সবাইকে এবার ভিড়ে টক্কর দিয়েছে। এবার অবশ্য কাশীপুর উদ্যানবাটি কিছুটা জায়গা করে নিয়েছে। প্রতিবছরই এই দিনগুলিতে আলিপুর চিড়িয়াখানায় ব্যাপক ভিড় হয়। হাটাচলাই সেখানে দায় হয়ে পড়ে। মানুষের তুলনায় যেন জায়গা কম পড়ে যায়। এবার নতুন বছরে খোলামেলা জায়গাকেই বেছে নিল আমজনতার বেশিরভাগ অংশ। মানুষ ভিড় জমাল ইকো পার্কে। পরিবার, বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে নতুন বছরে কলকাতার রাস্তায় বেরিয়ে পড়াই দস্তুর। এদিন ঠান্ডার আমেজই ছিল যথেষ্ট।ভিড়ের হিসেবে সকলকে টেক্কা দিয়েছে নিউ টাউনের ইকো-ট্যুরিজ়ম পার্ক। এই পার্কে ভিড় করেছেন ৯১ হাজার ৬৮৩ জন। অবশ্য তারপরেই আছে আলিপুর চিড়িয়াখানা। তবে বরাবর প্রথম স্থানে থাকে এই চিড়িয়াখানা। এবার সেখানে ভিড় জমিয়েছে ৮৫ হাজারের বেশি। দর্শনার্থীদের সংখ্যায় উত্তর কলকাতার কাশীপুর উদ্যানবাটীও ইংরেজি নববর্ষে অন্য অনেক জায়গার থেকে এগিয়ে থেকেছে। কারণ কল্পতরু উৎসবকে কেন্দ্র করে এখানে মানুষ ভিড় করে থাকে। এবারও সেই আকর্ষণে ভিড় করেছেন ভক্ত ও দর্শনার্থীরা। ভিক্টোরিয়ায় বছরের প্রথম দিনে ৩৮ হাজারের বেশি পর্যটক হাজির হয়েছিলেন। সায়েন্সসিটিতে ছিলেন ৩০হাজারের কিছু বেশি দর্শনার্থী। কলকাতা জাদুঘরেও কয়েক হাজার মানুষ ভিড় করেছেন। তবে তা ১০হাজার অতিক্রম করতে পারেনি।

জানুয়ারি ০২, ২০২৫
রাজ্য

'রাজ্যবাসী শীতে কাঁপছে, তৃণমূল সিবিআইয়ের ভয়ে কাঁপছে,', কেন বললেন দিলীপ ঘোষ?

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্যে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন দিদির দূত। এই প্রসঙ্গে কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অন্য দিনের মতো শনিবার সকালে নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমনে যান বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। এক প্রশ্নের জবাবে দিলীপ ঘোষ বলেন, দিল্লীর দূত এখন তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে বাড়িতে পৌছে যাচ্ছে। সেই ভয়ে তৃণমূল কাঁপছে। রাজ্যবাসী শীতে কাঁপছে। তৃণমূল সিবিআইয়ের ভয়ে কাঁপছে। ওরা যে দিদির সুরক্ষা কবচ আনছে, ওটা ওদের নেতাদের লাগবে।শহীদ দিবস নিয়ে তরজা প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, যারা শহীদ হল তাদের কথা ভুলে গিয়ে সবাই নিজেদের কথা ভাবছে। শহীদ তো সারা বাংলায় আগে হয়েছে। এখনও হচ্ছে। কোনো একটা দিবস রাজনীতির ইস্যু হয়ে যায়। এটা আগেও হত এখনও হয়।সিপিএম কি বিজেপিকে সাপোর্ট করছে? খড়্গপুরের সাংসদ বলেন, বিজেপির কারও সাপোর্ট লাগে না। সামাজিক সাপোর্টে বিজেপি এগোয়। ওনারা এতদূর এগোলেন কার সাপোর্ট নিয়ে? যাদের সাপোর্ট নিয়ে এলেন, তাদেরই খুন হতে হচ্ছে। পার্টির লোক পার্টির নেতার বিরুদ্ধে আবাস যোজনায় নাম কেটে দেওয়ার অভিযোগ তুলছে। হুমকি দিচ্ছে। নিজেদের মধ্যে গুলি চালাচ্ছে। এটা তৃণমূল কালচার। বিজেপি সারা দেশে আছে। বিজেপিকে সবাই চেনে, জানে।আবার কি তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিতে চাইছে, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, বহু লোক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। ওই দলে আর ভদ্রলোকেরা থাকতে চাইছে না। যোগদান তো চলছে। আমাদের থেকে জোর করে নিয়ে যাওয়া কিছু লোক আবার ফিরছে। লোকে দেখতে চাইছে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়।

জানুয়ারি ০৭, ২০২৩
রাজ্য

ইকোপার্ক, সিটি সেন্টার ওয়ান ও সিটি সেন্টার টু, নিকোপার্কে ভিড় উপচে পড়ছে, কড়া নিরাপত্তা পুলিশের

বড়দিন উপলক্ষ্যে বিধাননগর সিটি এলাকা কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে দিয়েছে। যাতে কোনোরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য সক্রিয় সিটি পুলুশ। বড়দিনে সাধা মানুষ সুষ্ঠ ভাবে আনন্দ উপভোগ করতে পারে তারই জন্য বিধাননগর পুলিশের এই উদ্যোগ।বড়দিন উপলক্ষে বিধাননগর পুলিশের পক্ষ থেকে বিধাননগর সিটি এলাকায় ডিসি ও এডিসিপি পদ মর্যাদার ৯ জন অফিসার, এসিপি পদ মর্যাদার ১২ জনঅফিসার, ইন্সপেক্টর পদ মর্যাদার ২৯ জন অফিসার রয়েছেন। অফিসার ও ফোর্স নিয়ে ২ হাজার এবং প্রতিটি থানায় একটি করে স্পেশাল টিম তৈরি করা হয়েছে অফিসারদের। যারা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় টহলদারি চালাচ্ছে। বড়দিন উপলক্ষে বিভিন্ন জায়গা থেকে ভিড় জমিয়েছে বিধাননগর সিটি এলাকায়। এর মধ্যে ইকোপার্ক, সিটি সেন্টার ওয়ান ও সিটি সেন্টার টু, নিকোপার্ক, লেক টাউন পৌষ উৎসব সহ সল্টলেক ও নিউটাউনের বিভিন্ন এলাকায়।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২২
কলকাতা

নিউটাউনে গেস্ট হাউসে এক যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার যুবক

নিউটাউনে গেস্ট হাউসে এক যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার এক যুবক। ধৃতের নাম সোনু সরকার। বাড়ি গরফা থানা এলাকায়। গতকাল রাতে গরফার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে ইকোপার্ক থানার পুলিশ। আজ ধৃতকে বারাসাত আদালতে তোলা হবে।পুলিশ সূত্রে খবর, গত রবিবার রাতে অভিযোগকারী ওই যুবতীকে নিয়ে নিউটাউনের একটি গেস্ট হাউসে ওঠে ধৃত সোনু সরকার। এরপর যুবতীকে মাদক খাইয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে ধর্ষণ করা হয় এমনটাই অভিযোগ যুবতীর। এরপর ইকোপার্ক থানায় এসে যুবকের বিরুদ্ধে মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন ওই যুবতী। ঘটনার তদন্তে নেমে গতকাল গরফা এলাকা থেকে সোনু সরকারকে গ্রেফতার করে ইকোপার্ক থানার পুলিশ। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে ধৃত যুবকের সাথে বেশ কিছুদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচয় হয় যুবতীর। এরপরই ধীরে ধীরে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব এবং ঘনিষ্টতা বাড়ে। অভিযোগ, নিউটাউন গেস্ট হাউসে যুবতীকে নিয়ে এসে মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করে সোনু সরকার নামে ওই যুবক। আজ ধৃতকে ধর্ষণের অভিযোগে বারাসাত আদালতে তোলা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২২
কলকাতা

Dilip Ghosh: ত্রিপুরায় তৃণমূলের আন্দোলন নিয়ে খোঁচা দিলীপের

ত্রিপুরায় তৃণমূলের কার্যকলাপ নিয়ে ফের মন্তব্য করলেন দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার সকালে প্রাতর্ভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপের কটাক্ষ, পুরভোটের আগে নেতৃত্বের চোখে পড়ার চেষ্টা করছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।পুরভোটের আগে তৃণমূলের নেতারা খবরের শিরোনামে আসতে চাইছেন বলে মনে করেন দিলীপ। তিনি বলেছেন, ভোট আসছে। কেউ টিকিটের চেষ্টা করছেন তো কেউ পদের। খবরের শিরোনামে আসার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি চলছে নেতাদের চোখে পড়ার চেষ্টা। এখন এ রকম কিছু দিন চলবে।দিলীপের এই কথার প্রতিবাদে তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন বলেছেন, দিলীপবাবুরা ভোটের আগে লাইমলাইটে থাকার জন্য গোলমাল করতেন। উনি নিজেও সে কথা বলছিলেন। সে সব করেও লাভ কিছু হয়নি। তাই আবার এ সব বলছেন। যদি একটু প্রচারের আলোয় আসা যায়।

নভেম্বর ২৩, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: 'বাংলার জন্য আমি অ্যাভেলেবল আছি'

তিনি এখন সদ্য প্রাক্তন হলেও বাংলার জন্য সবসময়ই আছেন, থাকবেনও। বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। বুধবার সকালে আর ৫টি দিনের মতো ইকো পার্কে শরীর চর্চা করতে আসেন দিলীপ ঘোষ। বাংলায় এবার তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তাঁর স্পষ্ট জবাব, আমি অ্যাভেলেবল আছি।এদিন দিলীপ বলেন, রাজ্যে দায়িত্বপ্রাপ্তরা যেভাবে আমাকে কাজে লাগাবে, আমি থাকব। একইভাবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যেভাবে নির্দেশ দেবেন, সেইভাবে কাজ করব। এবার নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্রে বেশী সময় দিতে চাই। প্রদেশ সভাপতির দায়িত্বে থাকায় সারা রাজ্য ঘুরতে হত, তাই মেদিনীপুরে বেশী সময় দেওয়া হত না। সেখানে বন্যা হয়েছে। ইতিমধ্যে ত্রাণের কাজ শুরু করেছি। উল্লেখ্য, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বঙ্গ বিজেপির একটা বড় অংশ দিলীপ ঘোষকে খুবই মিস করবেন। বিরোধীদের আক্রমণের যে পদ্ধতি তিনি অবলম্বন করে এসেছেন তা নানা সময়ে বিতর্ক সৃষ্টি করলেও একপ্রকার ইউনিকও বটে। দিলীপের এই শূন্যস্থান কেউই পূরণ করতে পারবেন না। তবে পদে না থেকেও তিনি বাংলায় বহাল তবিয়তে যে থাকবেন তা বিশেষজ্ঞরাও মনে করছেন। দিলীপ নিজেও বলেছেন, প্রয়োজনে তাঁকে ডাকলে তিনি বাংলার জন্য সবসময়ই আছেন।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: উপনির্বাচন নিয়ে ফের তৃণমূলকে বিঁধলেন দিলীপ

ভবানীপুরে উপনির্বাচন নিয়ে ফের একবার সরব হলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার এই উপনির্বাচন নিয়ে একের পর এক কটাক্ষ শানালেন দিলীপ। ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ বলেন, আগে ভাগে প্রার্থী দিলেই কি ভোটে জেতা যায়? ওনারা তো দিয়েছিলেন নন্দীগ্রামে। কী হল? আগেই প্রার্থী ঘোষণা করেছিলেন। দু মাস আগে থেকে প্রার্থী দিয়েছিলেন। অথচ ফলাফল তো দেখে নিয়েছে সকলেই। লড়াই করেন, দৌড়োদৌড়ি করেন।আরও পড়ুনঃ আউসগ্রামে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুনের ঘটনায় যৌথ ভাবে তদন্ত শুরু করলো সিআইডি ও পুলিশ লোকসভাতেও আগে প্রার্থী দিয়েছিলেন। তারপর ঝটকাটা খেলেন। নির্বাচনটা তো মাঠে হয়। সেটা ভুলে গেলে চলবে কী করে। একই সঙ্গে বিজেপির প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, যে কোনও সময়ই প্রার্থী ঘোষণা হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি বুধবার ত্রিপুরায় সিপিএমের বিভিন্ন কার্যালয়ে দুষ্কৃতী হামলার বিষয়ে বলতে গিয়ে দিলীপ বলেন, এখান থেকে নেতা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, এখান থেকে মিডিয়া নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এখান থেকে লোক নিয়ে গিয়ে যোগদান করানো হচ্ছে। ওখানে উৎপাত করা হচ্ছে। আমার মনে হয়, ওখানকার লোকজন এটা পছন্দ করছে না।একই সঙ্গে এদিন দিলীপ ঘোষ আবারও শুধুমাত্র ভবানীপুরে উপনির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, ভবানীপুর নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে যে মামলা হয়েছে সে প্রসঙ্গে বলেন, স্বাভাবিকভাবেই ভবানীপুর উপনির্বাচন নিয়ে মানুষের মনে অনেক প্রশ্ন। আদালতই যা বিচার করার করবে। সমস্ত দিক গুলো আলোচনা হবে। অন্যান্য রাজ্যেও তো উপনির্বাচন। তারা এখন বলছে উপনির্বাচন করার পরিস্থিতি নেই। পশ্চিমবঙ্গে চারটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে না। কলকাতা সব সময় স্পর্শকাতর। যারা বিধানসভা নির্বাচনে চেঁচিয়ে বলেছিল, করোনার মধ্যে ভোট হলে মানুষের জীবনের ঝুঁকি হচ্ছে, তারা এখন সে সব ভুলে মুখ্যমন্ত্রীকে ধরে রাখার জন্য অন্য কথা বলছে। যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে যান, তা হলে কি সংকট তৈরি হবে না? তাই স্বাভাবিকভাবেই মানুষ জানতে চাইছেন নির্বাচন কমিশন কেন এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিলেন। কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কাউকে বিধায়ক বা মুখ্যমন্ত্রী করা তো নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব না।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
কলকাতা

অনুব্রত বিজেপিতে যোগ দিতে চাইলে ভেবে দেখবেনঃ দিলীপ ঘোষ

বীরভূমে তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল বিজেপিতে যোগ দিতে চাইলে কি নেবেন? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, উনি কাউকে বলে থাকলে ভেবে দেখব আমরা। সকালে নিউটাউনে ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণ সেরে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, কাজের পর্যালোচনা করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রী, পর্যবেক্ষকরা এখানের নির্বাচনের প্রস্তুতি দেখছেন। সেই কাজ কতদূর এগিয়েছে, তা নিয়ে কথা হয়েছে। বৈঠকে তেমন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে দাবি দিলীপের। তবে এবার থেকে বাংলায় আরও বেশিদিন থাকবেন অমিত শাহ। আরও পড়ুন ঃ বুকের পাটা থাকলে অভিষেকের নাম নিয়ে দেখান, শুভেন্দুকে তোপ কল্যাণের বিজেপির রাজ্য সভাপতির কথায়,প্রতি মাসেই উনি আসবেন। এরপর দিন বাড়বে। দুদিন থাকছিলেন। এবার ৩ দিন থাকবেন। এক সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারেন। শোনা যাচ্ছে, আজ বোলপুরে তৃণমূলের দুই বিধায়ক যোগ দেবেন? দিলীপের জবাব,আমার জানা নেই। কেউ চলে আসতেও পারেন। শাসক দলের আর কেউ যোগাযোগ করেছেন? দিলীপ বলেন,অনেকেই যোগাযোগ করছেন। আগামী দিনে আরও বাড়বে। আপনারা ধীরে ধীরে দেখতে পারবেন।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুকে নিয়ে সেমসাইড গোল হয়ে গেছে তৃণমূলেরঃ দিলীপ

সাইডলাইনের বাইরে ছিলেন। এখন সেমসাইড গোল হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের। শুভেন্দুকে নিয়ে মাস্টারমশাই এমন ঝটকা খেয়েছেন যে চুপ মেরে গিয়েছেন। প্রাইভেট কোম্পানির চেয়েও খারাপ অবস্থা টিএমসির। শুভেন্দু অধিকারী ইস্যুতে সৌগত রায়ের নাম না করে কটাক্ষ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার তিনি ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে আসেন। এদিন শুভেন্দু প্রসঙ্গে দিলীপকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে কিছু বলার নেই। বৈঠকেরও এখনও পর্যন্ত কোনও সম্ভাবনা নেই বলে জানান তিনি। তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে বলেন, এখানে দাঁড়িয়ে আল্টিমেটাম দিচ্ছি, মানুষকে অত্যাচার করবেন না, শুধরে যান। মে মাসের পর সব হিসেব হবে। তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দিচ্ছে হাসপাতাল সেই কার্ড নেয় না। হাসপাতাল হয়েছে, কিন্তু সেখানে আগে টাকা পরে ডাক্তার। কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তার মন্তব্য, এখানে কোথাও চাকরি নেই সব যাচ্ছে বাংলার বাইরে। দুয়ারে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি নিয়ে তার বক্তব্য, দুয়ারে সরকার করছে। বিডিও নাকি বাড়িতে আসবে? কেউ বিশ্বাস করে এই কথা? কত রকম সাথী কত রকম শ্রী! টাকা আসছে কোথা থেকে? কেন্দ্র নাকি টাকা দেয় না! এরা বাড়ি এলে ছাড়বেন না নারকেল গাছে বেঁধে জবাব চাইবেন! তার কটাক্ষ, জঙ্গলমহলে তিনদিন বসেছিল দিদিমণি। কেউ খেতে ডাকেনি কেউ দেখা করতেও আসেনি। এবার বসার জন্য অন্তত একটা খাটিয়া পেয়েছে এরপরে চাটাই ও পাবেন না। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে এলে স্বাগতঃ মুকুল অভিষেককে কটাক্ষ করে তার মন্তব্য, ভাইপোকে কি ভাগ্নে বলব? আদর করে বলতাম এত রাগ করার কী আছে? তিনি তৃণমূল নেতাদের সমালোচনা করে বলেন, প্রত্যেক নেতা রাত হলেই পার্টি, বোতল। সবকটা নেতার চেহারা দেখুন, টাকা কোথা থেকে এলো? হয় সিন্ডিকেটের টাকা না হলে পঞ্চায়েতের ঝাড়া টাকা। সবকটাকে কোমরে দড়ি পরিয়ে আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে নিয়ে যাব। সব নেতাদের নীল-সাদা বাড়ি গাড়ি। এই বাড়ি গাড়ি মে মাসের পরে ভোগ করতে দেব না। সব অকশন করব। কে কিনবেন ভেবে রাখুন। বুধবার থেকেই ইকো পার্কে তৃণমূল কর্মীরা সব বেচে দে টি-শার্ট পরে শরীরচর্চা করতে শুরু করেন। ঠিক দিলীপ ঘোষ যেখানে রোজ হাঁটতে যান, তার উল্টো দিকে দাঁড়িয়েই তৃণমূল এই কর্মসুচি পালন করছে। আজ দিলীপবাবু বলেন, এটা রাজনীতি করার জায়গা নয়, শরীরচর্চা করার জায়গা। ওরা সব সিন্ডিকেট করে। মোদীজির ফিট ইন্ডিয়া আহ্বানে অনুপ্রাণিত হয়ে ওরা শরীরচর্চা করছেন। যদিও ইকো পার্কে রাজনৈতিক স্লোগান দিয়ে ঘোরা উচিত কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। নিউটাউনের যে অঞ্চলে দিলীপ ঘোষ আজ চা-চক্র করেন, সেই এলাকায় সিন্ডিকেটের রমরমা বলে বারবার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। তাই দিলীপ ঘোষের বক্তব্যে বারবার সিন্ডিকেট ইস্যু ঘুরে ফিরে এসেছে। অন্যদিকে মিহির, নিশীথকে নিয়ে দিলীপ জানান, ওরা গতকাল রাতে এসেছিলেন। দিল্লি থেকে ফিরে উনারা আমার সঙ্গে কথা বলেন। দলীয় কাজকর্ম শুরু করা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি, আপার প্রাইমারি আন্দোলনকারীদের নিয়ে তুলে দেওয়া নিয়ে তার বক্তব্য গোটা রাজ্যে ১৪৪ করা হচ্ছে। কাউকে মিটিং মিছিল করতে দেওয়া হচ্ছে না। মাদ্রাসার টিচারদেরও আন্দোলনের আগে তুলে নেওয়া হয়। মদন মিত্রের প্যাক আপ পোস্ট নিয়ে কটাক্ষ করে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, সন্তুষ্ট করতে এসব কাজ করছেন। পার্টি ও সরকারে নতুন পদ তৈরি করা হচ্ছে। আগে এই কারণে পুরষ্কার চালু করেছিলেন।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজনীতি

উত্তর ২৪ পরগণার সব আসন দখল করবঃ দিলীপ

বিধানসভা ভোটে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সব আসন ছিনিয়ে নেব, কীভাবে রুখবেন ভাবুন। ফের রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে এই মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবারও প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলেন দিলীপবাবু। সেখানে তিনি আরও বলেন , একুশে বাংলার দায়িত্ব পাবে বিজেপিই। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেছিলেন , বিজেপি ভোটের জন্য বাংলায় অস্ত্র আনছে। খাদ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বলেন, উনি নিজে যা যা করেছেন, এখন সে সবই বলছেন। লোক জানে কে কী করছে, হিসেব হবে একুশ সালে। আমরা সাধারণ মানুষের উপর ভরসা করি। তাঁদের সিদ্ধান্তই ঠিক। সবার চরিত্র তাঁরা জানে। আমরা পরীক্ষা দিতে রাজি আছি। ওনারাও পরীক্ষা দিক। আরও পড়ুন ঃ মমতা সরকারের শাসন এবার শেষ হবেঃ অমিত মালব্য আবগারি দপ্তর থেকে কাটমানি আসে বিজেপির দপ্তরে! জ্যোতিপ্রয় মল্লিকের এই অভিযোগের পালটা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আক্রমণ করেছেন বিজেপি সাংসদ। বলেন, যেমন নেত্রী, তেমন তাঁর চ্যালা! ওনার নেত্রী সেনাকে তোলাবাজ বলেছিলেন। যারা দেশের সেনাকে বিশ্বাস করে না, পুলিশে বিশ্বাস করে না। মানুষ তাঁদের বিশ্বাস করে না। হুমকির সুরে এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের জেলার দুটো আসন বিজেপি ইতিমধ্যেই দখল করেছে। বাকি গুলোও করব। প্রাতঃভ্রমণ সেরে এদিন রুরির কাছে চা চক্রে যোগ দেন সাংসদ। আলোচনা করেন বাংলার রাজনীতি নিয়ে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
কলকাতা

নির্বাচনী ফান্ড তৈরি করার জন্য দাম বেড়েছে আলু- পিঁয়াজেরঃ দিলীপ

আলু-পিঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এবার রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার প্রাতঃভ্রমণে ইকো পার্কে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন , এই সময় এমনিতেই শাকসবজি, ফলের দাম বাড়ে ৷ বাজারকে নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব এখানকার সরকারের ৷ ইচ্ছাকৃতভাবে পুজোকে কেন্দ্র করে কিছু লোক লুটপাট করে ৷ কিন্তু এখনও আমরা সেরকম দেখিনি ৷ আলু ও পিঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে ৷ নির্বাচনী ফান্ড তৈরি করার জন্য এগুলি করা হচ্ছে ৷ সরকারের সতর্ক হওয়া উচিত ৷ মানুষ এমনিতেই কষ্টের মধ্যে আছেন ৷ এরপরে মানুষের বিক্ষোভ আরও বাড়বে ৷ পিঁয়াজের দাম বাড়া নিয়ে তিনি বলেন, পিঁয়াজ নাসিক থেকে আসে ৷ তাই পিঁয়াজের দাম বাড়ার একটা কারণ আছে ৷ হতে পারে ফসল কম হয়েছে, নষ্ট হয়েছে ৷ কিন্তু আলুর দাম কেন বাড়বে ? আলু তো তারকেশ্বর থেকে আসে ৷ পশ্চিমবঙ্গে আলু চাষ হয় ৷ এখনও হিমঘরে প্রচুর আলু আছে ৷ শেষে ফেলে দিতে হবে ৷ কিন্তু বার করে বাজারে কেন আনা হচ্ছে না ? সব ফড়েদের হাত চলে গেছে ৷ এখানকার সরকারের কোনও কিছুতে কন্ট্রোল নেই ৷ তাই অসঙ্গতি দেখা যাচ্ছে ৷ আরও পড়ুন ঃ পুলিশের মাধ্যমে শাসন চালাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ ধনকড় এদিন শোভন-বৈশাখী প্রশ্ন করা হলে সাংসদ বলেন, শোভন ও বৈশাখি দুজনেই রাজনীতি সচেতন মানুষ ৷ ওঁরা কখন কী করতে হবে জেনেই রাজনীতিতে এসেছেন ৷ ওঁরা যখন রাজি হবেন, যে কাজ করতে চাইবেন, সেই কাজ দেওয়া হবে ৷ মুখ্যমন্ত্রীকে শোভন ও বৈশাখির শাড়ি পাঠানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সম্পর্ক অনেকের সঙ্গেই থাকে ৷ আমিও অসুস্থ ছিলাম ৷ মুখ্যমন্ত্রী আমায় ফোন করেছিলেন ৷ সৌজন্যবোধ, সামাজিক সম্পর্ক থাকতেই পারে ৷ এতে মনে হয় না চিন্তার কিছু কারণ আছে ৷

অক্টোবর ৩০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বিতর্ক! সেনেগাল ফুটবলারদের সঙ্গে ‘অপরাধীর মতো’ আচরণের অভিযোগ

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র এক দিন বাকি। তার আগেই বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে। আমেরিকায় পৌঁছনোর পর সেনেগাল এবং উজবেকিস্তানের ফুটবলারদের কড়া নিরাপত্তা তল্লাশি ঘিরে ক্ষোভ ছড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে। অনেকের অভিযোগ, খেলোয়াড়দের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে যেন তাঁরা কোনও অপরাধী।জানা গিয়েছে, বিশ্বকাপে অংশ নিতে আমেরিকায় পৌঁছেছিল সেনেগাল দল। বিমানবন্দরে নামার পরই নিরাপত্তাকর্মীরা ফুটবলারদের ব্যাগ, ট্রলি এবং অন্যান্য সামগ্রী বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করেন। অভিযোগ, মাদকদ্রব্যের সন্দেহে দীর্ঘ সময় ধরে চলে এই তল্লাশি। ঘটনাস্থলের কিছু ছবি এবং ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই শুরু হয় বিতর্ক।শুধু সেনেগাল নয়, উজবেকিস্তান দলের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। নিউ ইয়র্কে অনুশীলন কেন্দ্রে পৌঁছনোর পর ফুটবলারদের নিরাপত্তা পরীক্ষা করা হয়। সেই সময় মাদক সন্ধানী কুকুর এবং ধাতু শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনাও ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।সামাজিক মাধ্যমে অনেক সমর্থক প্রশ্ন তুলেছেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে অংশ নিতে আসা খেলোয়াড়দের সঙ্গে এমন ব্যবহার কতটা গ্রহণযোগ্য। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, নির্দিষ্ট কিছু দেশের ফুটবলারদের ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত কড়াকড়ি করা হচ্ছে। আবার অনেকে জানতে চেয়েছেন, বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা কেন এই বিতর্ক নিয়ে কোনও অবস্থান স্পষ্ট করছে না।এর আগেও বিশ্বকাপ ঘিরে বেশ কিছু ঘটনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিরাপত্তা ও অভিবাসন সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। ফলে বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আয়োজক দেশকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।ফুটবলপ্রেমীদের একাংশের মতে, খেলাধুলার মঞ্চ সব সময় দেশ, সংস্কৃতি এবং মানুষের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে। সেখানে খেলোয়াড়দের সঙ্গে অতিরিক্ত কড়া বা অসম্মানজনক আচরণের অভিযোগ সামনে আসা উদ্বেগের বিষয়। যদিও নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম মেনে তল্লাশি চালানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রকাশ্যে আসেনি।বিশ্বকাপের মতো বৃহত্তম ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার আগে এই বিতর্ক আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। আগামী দিনে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে বিশ্বজুড়ে ফুটবল সমর্থকদের।

জুন ১০, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির পাশের তৃণমূল কার্যালয়ে সিআইডি হানা, এবার সরাসরি হাই কোর্টে মামলা!

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কাছেই অবস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সিআইডি তল্লাশি ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা। অভিযোগ, কোনও নিরপেক্ষ সাক্ষী ছাড়াই তল্লাশি চালানো হয়েছে এবং বেআইনিভাবে দলীয় নথি স্ক্যান করা হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদনও জানানো হয়েছে।অন্যদিকে সই জাল কাণ্ডে নিজের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য পদক্ষেপের আশঙ্কায় ফের হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আবেদন নিয়ে আগামীকাল শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।মঙ্গলবার দুপুরে সই জাল কাণ্ডের তদন্তে তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছন সিআইডি আধিকারিকরা। কার্যালয়টি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে অবস্থিত। ঘটনাস্থলে একটি মহিলা দল-সহ সিআইডির আধিকারিকরা পৌঁছন। পাশাপাশি কালীঘাট ও ভবানীপুর থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।সিআইডির দাবি, সই জাল কাণ্ডের তদন্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তারা ওই কার্যালয়ে তল্লাশি চালাতে গিয়েছিল। তাদের কাছে প্রয়োজনীয় তল্লাশি পরোয়ানাও ছিল বলে জানানো হয়।সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে ছিলেন। ফলে কার্যালয়ের দায়িত্বে থাকা দলের কোষাধ্যক্ষ এবং রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শুভাশিষ চক্রবর্তীর সঙ্গেই সিআইডি আধিকারিকদের কথা হয়। তিনি প্রথমে তল্লাশির অনুমতি দিতে অস্বীকার করেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে কিছু সময় বাগ্বিতণ্ডা চলে। তবে শেষ পর্যন্ত সিআইডি আধিকারিকরা কার্যালয়ে প্রবেশ করে তল্লাশি চালান।এই তল্লাশিকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাই কোর্টে মামলা করা হয়েছে। মামলাকারীদের অভিযোগ, নিয়ম মেনে তল্লাশি করা হয়নি। তাঁদের দাবি, কোনও সাক্ষীর উপস্থিতি ছিল না এবং সেই সুযোগে দলীয় নথি স্ক্যান করা হয়েছে। যদিও সিআইডির পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল যে তাদের কাছে বৈধ তল্লাশি পরোয়ানা ছিল।তল্লাশি শেষে সিআইডি আরও জানিয়েছিল, কার্যালয় থেকে কোনও নথি বা সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। তা সত্ত্বেও গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক এবং আইনি মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।এখন নজর কলকাতা হাই কোর্টের দিকে। আদালত এই অভিযোগগুলিকে কীভাবে দেখছে এবং মামলার পরবর্তী শুনানিতে কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ! সাড়ে সাত বছর পর ডায়মন্ড হারবারে দায়ের এফআইআর

বিধায়কদের সই জাল কাণ্ডে সিআইডির সমন ঘিরে বিতর্কের মাঝেই নতুন করে চাপে পড়লেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তাঁর বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবার থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস, যিনি ববি নামেও পরিচিত, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, জাহাঙ্গির খান-সহ চল্লিশের বেশি তৃণমূল নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।অভিজিৎ দাসের দাবি, দুই হাজার আঠারো সালের একুশ ডিসেম্বর ডায়মন্ড হারবারের কপাটহাট মোড়ে একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে তিনি হামলার শিকার হন। সেই সময় তিনি বিজেপির জেলা সভাপতি ছিলেন। অভিযোগ, পরিকল্পনা করে তাঁর উপর প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়েছিল।হামলায় গুরুতর জখম হন অভিজিৎ। কোমর থেকে পা পর্যন্ত আঘাত লাগে তাঁর। অভিযোগ, মারধরের ফলে তাঁর মেরুদণ্ডেও চিড় ধরে। মাথাতেও গুরুতর আঘাত করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর অস্ত্রোপচারও করাতে হয়েছিল তাঁকে।অভিজিৎ দাসের অভিযোগ, সেই সময় তিনি পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি আবার এই ঘটনার বিচার চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডায়মন্ড হারবার থানায় নতুন করে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, জাহাঙ্গির খান-সহ একচল্লিশ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও প্রায় দেড়শো জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে অভিজিৎ দাস বলেন, হামলার আগে তিনি সম্ভাব্য আক্রমণের খবর পেয়েছিলেন এবং পুলিশকেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি দাবি করেন, হামলার পর তাঁকে প্রায় মৃত অবস্থায় ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছিল এবং আজও সেই আঘাতের শারীরিক প্রভাব বহন করছেন।এতদিন পরে কেন অভিযোগ নিয়ে ফের সামনে এলেন, সেই প্রশ্নের জবাবে অভিজিৎ বলেন, সে সময় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে কাজ করেনি। তাই তিনি ন্যায়বিচার পাননি। এখন তিনি আশা করছেন, ঘটনার সঠিক তদন্ত হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, এই অভিযোগপত্রে নাম থাকা জাহাঙ্গির খানকে ইতিমধ্যেই অন্য একটি মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিযোগে নাম থাকা অন্যদের বিরুদ্ধে পুলিশ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।সাড়ে সাত বছর আগের একটি রাজনৈতিক হামলার অভিযোগ নতুন করে সামনে আসায় রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

জুন ১০, ২০২৬
কলকাতা

জাহাঙ্গির গ্রেফতারের পরেই আগুন! জেলা পরিষদের দফতরে অগ্নিকাণ্ড ঘিরে বাড়ছে রহস্য

আলিপুরে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের বহুতল দফতরে আগুন লাগার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার সকাল প্রায় পৌনে দশটা নাগাদ স্থানীয় বাসিন্দারা ভবন থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন। এরপরই খবর দেওয়া হয় দমকলকে। অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, যে অংশে আগুন লাগে সেটি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের দফতর। আগুন লাগার পর গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। বিশেষভাবে নজরে এসেছে জাহাঙ্গির খানের ব্যবহৃত দফতরেও আগুন লাগার ঘটনা। স্থানীয় সূত্রের দাবি, সপ্তাহে কয়েকদিন তিনি ওই দফতরে আসতেন এবং তাঁর সঙ্গে বহু লোকজনের যাতায়াত ছিল। তিনি গ্রেফতার হওয়ার পরপরই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।জানা যাচ্ছে, ভবনের চারতলায় বসতেন জাহাঙ্গির খান। ফলে ওই অংশে আগুন লাগার ঘটনা ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছে। ঠিক কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দমকল এবং প্রশাসন ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। তাঁর দাবি, জেলা পরিষদের পূর্ত দফতরের গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কাটমানি এবং সরকারি অর্থ তছরুপের অভিযোগ উঠেছিল।বিধায়কের দাবি, এই অভিযোগের ভিত্তিতে চারটি ঠিকাদারি সংস্থা সম্প্রতি ফলতা থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে। সেই অভিযোগের তদন্তে বুধবার পুলিশ প্রশাসনের জেলা পরিষদে গিয়ে নথিপত্র খতিয়ে দেখার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই সংশ্লিষ্ট দফতরে আগুন লাগার ঘটনা অত্যন্ত সন্দেহজনক বলে মনে করছেন তিনি।দেবাংশু পাণ্ডার অভিযোগ, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এই আগুন লাগানো হয়ে থাকতে পারে। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে কোনও চূড়ান্ত মন্তব্য করা হয়নি। দমকল, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী কারণে আগুন লাগল এবং কোনও নথি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।তবে জাহাঙ্গির খানের গ্রেফতারের পরপরই তাঁর সঙ্গে যুক্ত দফতরে আগুন লাগার ঘটনায় রাজনৈতিক মহল থেকে প্রশাসনিক স্তরসব জায়গাতেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। অগ্নিকাণ্ড নিছক দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় কার হাতে যাচ্ছে কোন দফতর? সামনে এল সম্ভাব্য তালিকা, চমকে দিতে পারে একাধিক নাম

গত পয়লা জুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন মোট পঁয়ত্রিশ জন। কিন্তু এখনও তাঁদের মধ্যে কার হাতে কোন দফতরের দায়িত্ব যাবে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। ফলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন সূত্র মারফত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফতরের সম্ভাব্য মন্ত্রীদের নাম সামনে এসেছে।শপথ নেওয়া পঁয়ত্রিশ জনের মধ্যে তেরো জন পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তিন জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং উনিশ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এখন সবার নজর দফতর বণ্টনের দিকে।সূত্রের খবর, অর্থ দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন রাসবিহারীর বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত। বাণিজ্য দফতরের দায়িত্ব যেতে পারে মানিকতলার প্রবীণ বিধায়ক তাপস রায়ের হাতে। উচ্চশিক্ষা দফতরের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা দফতরের দায়িত্বও সিউড়ির বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে যেতে পারে বলে জল্পনা রয়েছে।অন্যদিকে স্কুল শিক্ষা দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মণ। স্বাস্থ্য দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বিধাননগরের বিধায়ক ও চিকিৎসক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়কে।এ ছাড়াও আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফতর নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিং পরিবহণ দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। একই সঙ্গে শ্রম দফতরের দায়িত্বও তাঁর হাতে থাকতে পারে বলে সূত্রের দাবি। কুমারগ্রামের বিধায়ক মনোজ ওরাওঁ পরিবেশ ও বন দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। ময়ূরেশ্বরের বিধায়ক দুধকুমার মণ্ডলের হাতে যেতে পারে কৃষি দফতর। শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ পর্যটন দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন বলেও আলোচনা চলছে। কাঁথি দক্ষিণের বিধায়ক অরূপ দাসের হাতে সেচ দফতরের দায়িত্ব যেতে পারে।স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীদের ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য দায়িত্ব নিয়ে জল্পনা রয়েছে। তুফানগঞ্জের বিধায়ক মালতী রাভা রায় নারী ও শিশু কল্যাণ এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠী দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। সোনামুখীর বিধায়ক দিবাকর ঘরামী বন দফতরের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন। করণদিঘির বিধায়ক বিরাজ বিশ্বাস উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও আইন দফতরের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন। কালচিনির বিধায়ক বিশাল লামা সংখ্যালঘু ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন। বলাগড়ের বিধায়ক সুমনা সরকার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্বরাষ্ট্র দফতর নিজের হাতেই রাখতে পারেন। পাশাপাশি আইন দফতরের দায়িত্বও তিনি নিজের কাছেই রাখতে পারেন বলে জল্পনা চলছে।তবে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও ঘোষণা হয়নি। ফলে কোন মন্ত্রীর হাতে শেষ পর্যন্ত কোন দফতর যায়, তা জানতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে রাজনৈতিক মহলকে। এখন সবার নজর, কবে আনুষ্ঠানিকভাবে দফতর বণ্টনের ঘোষণা করা হয় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত রূপরেখা সামনে আসে।

জুন ১০, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলে আরও বড় ধাক্কা! সুখেন্দুর পর এবার ইস্তফা সুস্মিতা দেবের, বাড়ছে জল্পনা

তৃণমূল কংগ্রেসে অস্বস্তি আরও বাড়ল। এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দলের এক সদস্য। সুখেন্দু শেখর রায়ের পর এবার পদত্যাগ করলেন সুস্মিতা দেব। বুধবার তিনি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সি পি রাধাকৃষ্ণনের কাছে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দেন।রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষের খবর সামনে আসছে। বিভিন্ন স্তরে মতভেদের আলোচনা চলার মধ্যেই একের পর এক সাংসদের পদত্যাগ দলকে অস্বস্তিতে ফেলেছে।দলীয় সূত্রে জল্পনা, আরও কিছু নেতা ও সাংসদ ভবিষ্যতে একই পথে হাঁটতে পারেন। রাজনৈতিক মহলে এমনও আলোচনা চলছে যে সদ্য রাজ্যসভার সদস্য হওয়া কোয়েল মল্লিকও পদত্যাগ করতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।সুস্মিতা দেব দীর্ঘদিন কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অসমের শিলচর লোকসভা কেন্দ্র থেকে তিনি সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে দুই হাজার উনিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর কংগ্রেস ছাড়েন তিনি। পরে দুই হাজার একুশ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন।দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই সুস্মিতা দেবকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি দলের জাতীয় মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন। পরে তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদও করা হয়। পাশাপাশি অসমে দলের সংগঠন বিস্তারের দায়িত্বও তাঁর কাঁধে তুলে দেওয়া হয়েছিল।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুস্মিতা দেবের পদত্যাগ শুধুমাত্র সংসদীয় রাজনীতিতেই নয়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সংগঠনেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারতে দলের বিস্তারের পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে সংসদের দুই কক্ষেই এখন নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। লোকসভায় দলের কিছু সাংসদ আলাদা অবস্থান নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। অন্যদিকে রাজ্যসভায়ও তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা কমছে। সুখেন্দু শেখর রায় ও সুস্মিতা দেবের ইস্তফার ফলে দলের শক্তি আগের তুলনায় কমেছে। ভবিষ্যতে আরও কোনও পদত্যাগ হলে সেই চাপ আরও বাড়তে পারে।সব মিলিয়ে একের পর এক ইস্তফা এবং দলীয় অন্দরের অসন্তোষের খবরে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা তীব্র হয়েছে। আগামী দিনে দলের নেতৃত্ব পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

অরূপ বিশ্বাসকে বড় ধাক্কা হাইকোর্টে! বিচারপতির কড়া নির্দেশে বাড়ল চাপ

মেসিকাণ্ডে গ্রেফতারির আশঙ্কা করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তবে আদালত তাঁকে কোনও রক্ষাকবচ দেয়নি। বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পুলিশের ডাকে হাজিরা দিতেই হবে অরূপ বিশ্বাসকে। হাজিরার অন্তত আটচল্লিশ ঘণ্টা আগে নোটিস দিতে হবে পুলিশকে। তদন্তে কোনও স্থগিতাদেশ নয়, তদন্ত নিজের গতিতেই চলবে। একই সঙ্গে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।আদালত অরূপ বিশ্বাসের উপর একাধিক শর্তও আরোপ করেছে। বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি রাজ্যের বাইরে যেতে পারবেন না। তাঁকে নিজের পাসপোর্ট নিম্ন আদালতে জমা রাখতে হবে। পাশাপাশি কোনও সাক্ষীকে প্রভাবিত করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করা যাবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে আদালত।শুধু অরূপ বিশ্বাসকেই নয়, পুলিশকেও বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি জানিয়েছেন, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারের তত্ত্বাবধানে এই ঘটনার তদন্ত হবে। কীভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হল, তার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। চার সপ্তাহের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এই মুহূর্তে গ্রেফতারের মতো কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার কথাও জানিয়েছে আদালত।শুনানির সময় অরূপ বিশ্বাসের আইনজীবী আদালতের কাছে আবেদন করেন, তাঁর মক্কেলকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক। আদালত এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করে জানায়, অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অন্য কোনও মামলা রয়েছে কি না, সে বিষয়েও তথ্য জমা দিতে হবে।এ দিনের শুনানিতে গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, এই ঘটনায় রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিচারপতির প্রশ্ন, কীভাবে একজন রাজনৈতিক নেতা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফুটবলারের এত কাছাকাছি পৌঁছে গেলেন? এতে তাঁর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়নি কি? দেশের অন্য জায়গায় এমন ঘটনা ঘটেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বিচারপতি আরও বলেন, সেদিন মাঠে বহু দর্শক ও মেসি-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে মেসিকে আগেভাগে অনুষ্ঠানস্থল ছাড়তে হয়েছিল। ফলে বহু মানুষের প্রত্যাশা ভেঙে যায় এবং গোটা ব্যবস্থাপনায় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।শুনানির সময় বিচারপতি জানতে চান, পুলিশ বারবার দেখা করতে বললেও অরূপ বিশ্বাস কেন যাচ্ছেন না। উত্তরে তাঁর আইনজীবী জানান, আদালত রক্ষাকবচ দিলে তিনি পরদিনই তদন্তে যোগ দেবেন।অন্যদিকে রাজ্যের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অরূপ বিশ্বাস প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় তিনি তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করতে পারেন অথবা সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন। রাজ্যের আইনজীবী আরও জানান, এর আগেও পুলিশ তাঁকে নোটিস পাঠিয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই নোটিসের জবাব দেননি। তাই তাঁকে বিশেষ কোনও রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।তবে সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি জানান, এই মুহূর্তে অরূপ বিশ্বাসকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন রয়েছে বলে আদালত মনে করছে না। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যে ঘটনার অভিযোগ প্রায় ছয় মাস পরে দায়ের করা হয়েছে, সেখানে এতদিন পর সাক্ষীদের ভয় দেখানোর আশঙ্কা কতটা বাস্তব, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।সব মিলিয়ে মেসিকাণ্ডে তদন্ত চলবে, তবে আপাতত গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে কিছুটা স্বস্তি পেলেও আদালতের কড়া নজরদারি এবং একাধিক শর্তের মুখে পড়লেন অরূপ বিশ্বাস। এই মামলার পরবর্তী শুনানি এবং তদন্তের অগ্রগতি এখন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের বিশেষ নজরে।

জুন ১০, ২০২৬
দেশ

সেনা শিবিরে আচমকা বিস্ফোরণ! মুহূর্তে প্রাণ গেল দুই জওয়ানের, শোকস্তব্ধ দেশ

জম্মু ও কাশ্মীরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন দুই সেনা জওয়ান। উরির একটি সেনা শিবিরে হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর মৃত্যু হয় তাঁদের। মঙ্গলবার বারামুলা জেলার উরি সেক্টরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সেনাবাহিনী।সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, উরির কমলকোট এলাকার একটি সেনা শিবিরে নিয়মিত অস্ত্র হস্তান্তরের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই একটি হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের জেরে গুরুতর আহত হন দুই জওয়ান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উদ্ধার করে ভারতীয় সেনার নিরানব্বই বেস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা সত্ত্বেও শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যু হয় তাঁদের।জানা গিয়েছে, মৃত দুই জওয়ানই মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে তাঁদের পরিবার এবং সহকর্মীদের মধ্যে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও গভীর শোকপ্রকাশ করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেও জম্মু ও কাশ্মীরে এক সেনা আধিকারিকের মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছিল। রাজৌরি জেলায় জঙ্গিবিরোধী অভিযানের সময় দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান লেফটেন্যান্ট বীরেশ্বর গোস্বামী। সেনা সূত্রে জানা যায়, পাহাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় তিনি একটি গভীর খাদে পড়ে যান। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের দুই জওয়ানের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ সেনাবাহিনী।এদিকে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি-সহ একাধিক জেলায় জঙ্গি দমনে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা। গোপন সূত্রে জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পাওয়ার পর শুরু হয় বিশেষ অভিযান। জঙ্গলঘেরা বিস্তীর্ণ এলাকায় চলছে তল্লাশি। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গির খোঁজ না মিললেও সেনাবাহিনীর ধারণা, তারা বারবার অবস্থান পরিবর্তন করছে।উরির সেনা শিবিরে কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ কী, তা জানতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে সেনাবাহিনী। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই পুরো ঘটনার বিস্তারিত ছবি স্পষ্ট হবে।

জুন ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal